আর হল না, আর হবে না

অনেক সাধ ছিল বুড়ো বয়সে নাতি/নাতনিদের শাষন করব। ছোটবেলায় দাদা-নানা দের কাছে খাওয়া বকা গুলো জমিয়ে রেখেছিলাম আমার নাতি/নাতনিদের ফিরিয়ে দিব বলে। সেই সাধ আর পুরোন হবে না। এলাকার বাচ্চা গুলো এখন তো আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুস্টামি করে না।পড়াশুনা বাদ দিয়ে ভর দুপুরে ধানক্ষেতে খেলাধুলাও করে না। গাছের পাকা আমগুলো চুরি করতেও আসে না। আজ বাচ্চা-বুড়োরা দশ্যিপনা করে ঘরে বসে, মোবাইল-ইন্টারনেটে। আমাদের কি সাধ্য হবে ইন্টারনেট এর প্রায়ভেসির বেড়া ডিঙ্গিয়ে নাতি নাতনিদের ভুল গুল ধরে ধরে শাষন করা?
বার্ধক্যের অবসর গুলো কিভাবে কাটবে এটাই এখন ভাববার বিষয়। যাই হোক বকা দেয়ার সাধ তো আর পুরোন হবে না। শাষন না হয় নাই করলাম। দাদা-নানা দের তো নাতি/নিতনীদের নিয়ে মেলায় যাওয়াও বন্ধ হয়ে গেছে। গ্রামের মেলা গুলো সব হারিয়ে যাচ্ছে। এখন মেলা হল ভার্চুয়াল জগতের নিত্য দিনের আয়োজন। নানান রঙ্গের ভার্চুয়াল ফানুস উড়ে যায় ভার্চুয়াল আকাশে। আশার কথা হচ্ছে, এই সব ফানুসের মাঝেও খারাপ-ভাল আছে। কিন্তু খারাপ হলেও কিই বা আসে যায়, ফানুশটিতো ভার্চুয়াল। আর ভাল হোলেই বা কি, এটা তো কল্পলোকের।
ইমোজির মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালবাসার/ভাললাগার অকৃত্তিম শব্দটি খুজে দেখা আর হলো না, আর হবে না।
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ